সাফল্যের শীর্ষে জয়া আহসান

সাফল্যের শীর্ষে জয়া আহসান

Spread the love

জয়া আহসান বাংলা চলচ্চিত্রের একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র তারকা। তার ট্যালেন্ট এর মাধ্যমে জয় করেছে বাংলাদেশ ও ভারতের মতো দেশের চলচ্চিত্র কে। জয়া আহসান পশ্চিমবঙ্গের সেরা সব ফিল্ম পরিচালকদের সাথে কাজ করেছেন। যে সকল সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছে, প্রায় প্রতিটি সিনেমাতেই তার ফলতা চোখে পড়েছে। শ্রীজিৎ মুখার্জী, অতনু ঘোষ, কৌশিক গাঙ্গুলি এবং শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এর মতো এতো বড় মাপের বিখ্যাত সব পরিচালকদের সাথে কাজ করেছেন।

জয়া আহসান 2013 সালে কলকাতায় প্রথম পা রেখেছিলেন। ইতিমধ্যে এত অল্প সময়ে, তিনি পশ্চিমবঙ্গের সকল বিখ্যাত পরিচালকদের সিনেমায় অভিনয় করেছেন। একজন বাংলাদেশী তারকা হিসেবে সেখানে তাঁর কৃতিত্ব অনেক। অরিন্দম সিলের ছবি ‘অ্যাবার্তো’ তে তিনি প্রথম কলকাতার সিনেমায় অভিনয় করেন এবং সেই ফিল্ম এর সেরা মহিলা চিলচিত্র পুরুস্কার পান। তখন থেকেই তার অবিরাম পথ চলা। ৩৮ বছর বয়সী এই তারকা কাজ করেছেন শ্রীজিৎ মুখার্জি, অতনু ঘোষ, কৌশিক গাঙ্গুলি এবং শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এর মতো বিখ্যাত পরিচালকদের ছিনেমায়। এতো অল্প সময়ে এমন খ্যাতি বাংলার আর কেউ অর্জন করতে পারিনি।

বাংলাদেশের জয়া আহসানের রয়েছে বিশাল কৃতিত্ব, এই নিয়ে তিনি চারবার বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে। এবং সুনামের সাথে বিভিন্ন নাটক ও বড় পর্দায় কাজ করেছেন। বর্তমানে এই তারকা ছোটপর্দায় আর কোন কাজ করছে না। 2017 সালে এই অভিনেত্রী পুনরায় বিশ্বরঞ্জন এর জন্য সেরা মহিলা অভিনেত্রী হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। এবং সম্প্রতি তিনি তার একটি সিনেমায় অভিনয়ের কারণে সেরা অভিনেত্রীর জন্য মাদ্রিদ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আরো একটি পুরস্কারে মনোনীত হয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গের এই সিনেমায় তার বিপরীতে কাজ করেছিলেন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী। একের পর এক এত পুরস্কারে তিনি পুরস্কৃত হয়েছেন যে, বর্তমানে তার এই অভিনয় জগতে একটি চ্যালেঞ্জ এসে দাঁড়িয়েছে। জয়া আহসান আরও বলেন যে, তিনি যে কোন কঠিন পর্যায়ের অভিনয় করতে বেশি পছন্দ করেন। এই পর্যন্ত এই অভিনেত্রী যতগুলো পুরস্কার অর্জন করেছেন তার প্রতিটাই ছিল বহুমুখী এবং জটিলতম। যে চরিত্রগুলো জয়া আহসান বরাবরই পছন্দ করেন। তিনি সর্বদাই এই ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে চান। এই তারকা এমন চরিত্র আশা করেন যে এটি তাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়, এবং সে এই কাজগুলো মন থেকে করে, যেন এটি সত্যি কারের একটি প্রাণে পরিণত করে।

এই অভিনেত্রী যখন অভিনয় করে, তখন তার অভিনয়ের মধ্যে তার সত্তিকারের আবেগকে ফুটিয়ে তোলে। যেটা অন্যান্য শিল্পীদের ও কাজ করতে ব্যাপক সহায়তা করে। এই পর্যন্ত জয়া আহসান বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইভেন্টে অংশগ্রহণ করেছে। ২০১৯ সালে জয়া আহসান আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ক্রিকেট দূত হিসেবে অভিনয় করেন এবং ২০১৩ সালে দিল্লির সিআইআই বিগ পিকচার সামিটে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।

এছাড়া হয়েছিল অভিনেত্রী হিসেবে জয়া আহসান সকল বাধা পেরিয়েযেকোনো দেশ ও ভাষার সিনেমা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। জয়া আহসান আরো বলেন তিনি এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি হিন্দি সিনেমার অফারও পেয়েছেন। তবে সেরকম কোনো ব্যতিক্রমী আর চ্যালেঞ্জ ভিত্তিক চরিত্র নয়। জয়া আহসান তার ক্ষমতা ও সৃজনশীলতা পরীক্ষা করার জন্য যে কোনো ধরণের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে প্রস্তুত।

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleppy
Sleppy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *