সংগীতে সফল হওয়ার ১০টি উপায়

মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে একেকজনের সাফল্যের সংজ্ঞা একেকরকম। কিন্তু আপনার লক্ষ্য, আশা-আকাঙ্ক্ষা যেমনই হোক না কেন; আসুন জেনে নিই ১০টি অভ্যাস সম্পর্কে। যেগুলো গড়ে তুলতে পারলে সবার জন্যই ভালো হবে।

১) কোয়ালিটির চেয়ে কোয়ান্টিটিতে ফোকাস করুন : এমনিতে অন্যসব জায়গায় কোয়ালিটিতে ফোকাস করাটা ভালো হলেও মিউজিকে কোয়ান্টিটিটাই আসল। কেননা যত গান বানাবেন, ততই আপনি শিখবেন এবং আপনার মিউজিক সেন্সের উন্নতি হবে।

২) নিজে যে ধরণের সংগীত পছন্দ করেন, সেই ধরণের সংগীতই বানান : অনেকসময় দেখা যায় মানুষজন নিজের পছন্দের মিউজিক না বানিয়ে ট্রেন্ডি মিউজিক বানাতে আগ্রহী হয়। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। কেননা গান বানানো একটি লম্বা প্রোসেসের ব্যাপার, তাই নিজের কাজ যদি নিজে উপভোগ না করেন তাহলে একঘেয়ে লাগবে।

৩) নিয়মানুবর্তী হন : সংগীতে সাফল্যের জন্য অবশ্যই নিয়মানুবর্তী হতে হবে। ২-১টা গান বের করে বিশাল বিরতি দেওয়া যাবে না৷ নিয়মিত গানের পেছনে সময় দিতে হবে।

৪) লক্ষ্য নির্ধারণ : জীবনে যেকোন ক্ষেত্রে বড় হতে হলে অবশ্যই লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। কিন্তু লক্ষ্য নির্ধারণের পাশাপাশি ঐ লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য ভালো অভ্যাসের সিস্টেমও গড়ে তুলতে হবে অবশ্যই।

৫) প্লাগ ইনের চেয়ে প্রডিউসিং এ বেশি সময় ব্যয় করুন : নতুন ধরণের কোন প্লাগ ইন আসলেই মানুষ সেটি কিনতে চায়, কারণ তারা মনে করে এতে করে তাদের মিউজিকের সমস্যাবলি ঠিক হয়ে যাব। কিন্তু এমন করা যাবে না। যে প্লাগ ইনই কেনেন, তার পেছনে নির্দিষ্ট কারণ থাকতে হবে।

৬) স্যোশাল মিডিয়ার ফলোয়ারদের ই-মেইল সাবস্ক্রাইবারে পরিণত করুন : কোন কারণে যদি আপনার স্যোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের কিছু হয়, তাহলে রাতারাতি সব ফলোয়ার হারাবেন। তাই ফলোয়ারদের সাথে মেইলে যোগাযোগ রক্ষার ব্যাপারে সচেষ্ট হন।

৭) প্রোডাকশন কমিউনিটিতে অবদান রাখুন : ইন্ডাস্ট্রির একই মানসিকতাসম্পন্ন মানুষের সাথে মিশতে চেষ্টা করুন, তাঁদেরকে সাহায্য করুন। এতে আপনারই লাভ হবে পরে।

৮) সমালোচনা সহ্য করতে শিখুন : সমালোচনা তিন ধরণের হতে পারে। এগুলো হলো গঠনমূলক, বিভ্রান্তিকর এবং ধ্বংসাত্মক সমালোচনা। গঠনমূলক সমালোচনার ব্যাপারে ভাবুন এবং বাকি দুই ধরণের সমালোচনাকে উপেক্ষা করুন।

৯) নিজের কাজকে উপভোগ করুন : এটা আবশ্যকীয়। নিজের কাজকে উপভোগ না করলে ইন্ডাস্ট্রিতে উপরের দিকে যাওয়া অসম্ভব।

১০) নিজের যত্ন নিন : স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। সুস্থ না থাকলে গান বানাতে পারবেন না। তাই অবশ্যই নিজের যত্ন নিতে হবে।