গানের কপিরাইট : যা সম্পর্কে সকল ডিজে এর জানা উচিত

গানের কপিরাইট : যা সম্পর্কে সকল ডিজে এর জানা উচিত

বর্তমানে ডিজেদের গানের কপিরাইট সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত। কারণ কপিরাইট ইস্যুর কারণে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে তাদের কাজ নামিয়ে নেয়া হচ্ছে অথবা মিউট করে দেয়া হচ্ছে।

কপিরাইট কিভাবে কাজ করে?

কেউ যদি কোন গান বানায়, তাহলে তার দুইটি অংশ থাকে। একটি হলো মিউজিক্যাল কম্পোজিশন বা মিউজক্যাল ওয়ার্ক। এর আওতায় আসে নোট, গানের লিরিক বা কম্পোজিশন। এগুলো সাধারণত লিখিত রুপে থাকে এবং এর স্বত্বাধিকারী একাধিক হতে পারে। অপর অংশটি হলো সাউন্ড রেকর্ডিং বা মাস্টারিং। এর আওতায় আসে গানটিকে যেভাবে প্রকাশ করা হয় সেটি৷ যেমন আপনি যখন কোন স্টুডিওতে গিয়ে গায়কের মাধ্যমে গানটি রেকর্ড করেন।

এই দুটি অংশের সমন্বয়েই কপিরাইট গঠিত হয়।

এখন কোন গানকে যদি আপনি ব্যবহার করতে যান, তখন যে, যারা বা যে কম্পানি কপিরাইটের মালিক তাদের অনুমতি লাগবে। যদি অনুমতি ছাড়া আপনি গানটি ব্যবহার করে টুইট বা ফেসবুকের মত স্যোশাল নেটওয়ার্কে আপলোড করেন, তাহলে আপনার কন্টেন্ট নামিয়ে নেয়া হবে। তাই কারো গান ব্যবহার করতে হলে আপনাকে অবশ্যই অনুমতি নিতে হবে। এই অনুমতিও অনেক ধরণের আছে। যেমন : শুধু গানটি ব্যবহার করার অনুমতি, গানের কাভার বানানোর অনুমতি এবং গানটি ব্যবহার করে কন্টেন্ট বানানোর অনুমতি।

তবে সব স্যোশাল মিডিয়া একরকম না। কিছু কিছু প্ল্যাটফর্ম আছে যারা ডিজেদেরকে নিজেদের সৃজনশীলতা ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ করে। এমনই একটি প্ল্যাটফর্ম হলো মিক্সক্লাউড। ডিজেরা মিলেই এটি বানিয়েছেন এবং তাঁরা নিজেদের প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারের জন্য গানের কপিরাইট কিনে থাকেন বা প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে থাকেন। তাই এই প্ল্যাটফর্মে গান নামানো হয় না। উল্টো ক্রিয়েটর বা চ্যানেলের মালিক মনিটাইজেশনের মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারেন এখানে।